টেক নিউজতথ্য মন্ত্রণালয় নিয়োগ পাওয়ার জন্য করনীয়

তথ্য মন্ত্রণালয় নিয়োগ পাওয়ার জন্য করনীয়

তথ্য প্রযুক্তিভিত্তিক যারা চাকরি করার জন্য আগ্রহী তাদের জন্য আমরা আজকের এই লেখাতে তথ্য মন্ত্রণালয় নিয়োগ পাওয়ার জন্য করনীয় কয়েকটি টিপস আপনাদের জন্য শেয়ার করব। যেগুলো আপনারা টেকনোলজি ভিত্তিক জবের জন্য কাজে লাগাতে পারবেন।

তথ্য মন্ত্রণালয় হচ্ছে একটি বাংলাদেশের সরকার পরিচালিত তথ্য সংরক্ষণ ও পরিচালনা ভিত্তিক প্রতিষ্ঠান। যেখানে অনেক চাকরিপ্রার্থীরা চাকরি করার জন্য আবেদন করে থাকেন। সুতরাং যারা তথ্য মন্ত্রণালয়ে বাংলাদেশের নাগরিক হিসেবে আবেদন করতে আগ্রহী তাদের জন্য আমরা আজকের এই আর্টিকেলটিতে এমন কয়েকটি টিপস শেয়ার করব। যেগুলো আপনারা পরবর্তীতে কাজে লাগাতে পারবেন।

এমনকি আপনারা যারা টেকনোলজি ভিত্তিক চাকরির জন্য আগ্রহী তারা এসকল টিপসগুলো যে কোন কোম্পানিতে চাকরির আবেদনের ক্ষেত্রে ব্যবহার করতে পারেন। আশা করতেছি আপনারা তথ্যপ্রযুক্তি ভিত্তিক চাকরিগুলোতে এই কৌশল গুলো অনুসরণ করলেই জায়গা করে নিতে পারবেন।

তথ্য মন্ত্রণালয়ে নিয়োগ পাওয়ার জন্য পাঁচটি করণীয়

চলুন তাহলে জেনে নেওয়া যাক কিভাবে আমরা তথ্য মন্ত্রণালয়ে সহজে চাকরি পেতে পারেন এবং চাকরি পাওয়ার কিছু উপায় আমরা জেনে নিব। যেন আমরা  তথ্যপ্রযুক্তি ভিত্তিক দক্ষতা গুলোকে কাজে লাগিয়ে একজন বাংলাদেশের নাগরিক হিসেবে কাজ করতে পারি।

১. কম্পিউটারের খুঁটিনাটি ভালোভাবে আয়ত্ত করুন

প্রযুক্তিভিত্তিক চাকরির জন্য কম্পিউটার সম্পর্কে জানা খুবই গুরুত্বপূর্ণ। তাই আপনি যদি তথ্য প্রযুক্তি মন্ত্রণালয়ে চাকরির জন্য ইছা পোষণ করেন, তাহলে অবশ্যই কম্পিউটারের খুঁটিনাটি সকল দক্ষতা আপনাকে আয়ত্ত করতে হবে। এবিষয়ে আপনি চাইলে একটি কম্পিউটারের বেসিক কোর্স করে নিতে পারেন এবং কম্পিউটার বিষয়ে অবশ্যই একটি সার্টিফিকেট সংগ্রহ করে নিতে পারেন। যার মাধ্যমে আপনি যে কম্পিউটারের বিষয়ে সঠিক দক্ষতা আয়ত্ত করতে সক্ষম হয়েছেন তার প্রমাণ হিসেবে দাখিল করতে পারবেন।

বাংলাদেশের মধ্যে বর্তমান সময়ে অনেকগুলো প্রতিষ্ঠান রয়েছে যেখানে আপনি কম্পিউটারের বেসিক বিষয়গুলো সম্পর্কে কোর্স করার সুযোগ পাচ্ছেন। বিশেষ করে সরকারি অনেকগুলো প্রতিষ্ঠানেও কম্পিউটারের বেসিক শিক্ষা প্রদানের জন্য সার্টিফিকেট সহ বিভিন্ন সুযোগ-সুবিধা দেওয়া হচ্ছে।

তাই যদি আপনি কম্পিউটার সম্পর্কে খুঁটিনাটি বিষয়গুলো সহজে বুঝতে পারেন, তাহলে তথ্য মন্ত্রণালয় চাকরি পাওয়াটা আপনার জন্য সহজ হবে এবং ইন্টারভিউ ভিত্তিক সকল প্রশ্নের উত্তর সহজে সমাধান দিতে পারবেন।

২. মাইক্রোসফট অফিসিয়াল সফটওয়্যার ব্যবহারে পারদর্শী হতে হবে

কম্পিউটারের প্রাথমিক যে বিষয়টি আমরা চিন্তা করি সেটা হচ্ছে অফিসিয়াল কার্যক্রম সহজে সম্পন্ন করা। আর এই ক্ষেত্রে অফিসিয়াল কার্যক্রম গুলো সম্পন্ন করার জন্য মাইক্রোসফট অফিস পুরোপুরি ভাবে জানা প্রয়োজন হয়।

যারা টেকনোলজি ভিত্তিক চাকরির জন্য আগ্রহী তাদের অবশ্যই প্রাথমিকভাবে কম্পিউটারের মাইক্রোসফট এর ব্যবহার সঠিকভাবে জানতে হবে। মাইক্রোসফটের স্কিল আপনাকে কম্পিউটার ব্যবহারে আরও বেশি পারদর্শী করে তুলবে।

বর্তমানে প্রতিটি ব্যবসায়িক প্রতিষ্ঠানে অফিসিয়াল কার্যক্রম পরিচালনা করার জন্য কম্পিউটারের ব্যবহার অপরিহার্য। সেইসাথে কম্পিউটারের ব্যবহারে আপনাকে অবশ্যই মাইক্রোসফট অফিস ওয়ার্ড এক্সেল ইত্যাদি বিষয়গুলোকে সঠিকভাবে ব্যবহার জানতে হবে। যদি এই সকল সফটওয়্যার গুলো আপনার সঠিক ব্যবহার করতে পারেন, তাহলে আপনি অন্যদের থেকে এগিয়ে থাকবেন।

৩. টাইপিং স্পিড যত সম্ভব ভালো করতে হবে

টেকনোলজি ভিত্তিক চাকরির জন্য টাইপিং স্পিড কতটা গুরুত্বপূর্ণ সেটি না বললেই হবে না। এটা নিয়ে অবশ্যই কথা বলতে হবে কারণ আপনি যত বেশি দ্রুত টাইপিং স্পিড বাড়াতে পারবেন, তত বেশি আপনি টেক ভিত্তিক ডিভাইস কম্পিউটার দ্রুত পরিচালনা করতে পারবেন।

বাংলাদেশের মধ্যে টেক ভিত্তিক চাকরিগুলোর চাহিদা প্রচুর থাকার পরেও বাংলাদেশের জনগণ এই সকল কাজগুলো করার জন্য পারদর্শী নয়। একারণে বাংলাদেশ টেকনোলজির পর্যায়ে অনেকটা পিছিয়ে। তাই যদি আপনি তথ্য ও যোগাযোগ মন্ত্রণালয়ে কাজ করার জন্য আগ্রহী হয়ে থাকেন, তাহলে অবশ্যই চাকরিতে আবেদন করার পূর্বে আপনার টাইপিং স্পিড এবং অন্যান্য কম্পিউটারের দক্ষতা গুলোকে ঝালাই করে নিতে হবে। যেন আপনি খুব সহজে টেকনোলজি ভিত্তিক কাজগুলো সমাধান করতে পারেন।

৪. কম্পিউটার টেকনিক্যাল সিস্টেম বুঝতে পারলে অগ্রাধিকার পাবেন

বিভিন্ন সময় আপনার কম্পিউটারের বিভিন্ন সমস্যা তৈরি হতে পারে। এক্ষেত্রে টেকনিক্যাল সিস্টেমটি বোঝা খুবই গুরুত্বপূর্ণ। আপনি যদি টেকনিক্যালি একটি কম্পিউটার কিভাবে ঠিক করতে হয় সে বিষয়টি বুঝে উঠতে পারেন, তাহলে কিন্তু আপনার কম্পিউটার সঠিক ভাবে আপনি পরিচালনা করতে পারবেন। কম্পিউটার ঠিক করার জন্য অবশ্যই আপনাকে কিভাবে একটি নতুন কম্পিউটার সেটআপ দিতে হয় সে বিষয়টি জানতে হবে।

কম্পিউটার বিল্ডিংটাই হচ্ছে কম্পিউটার সেটআপ দেওয়ার কাজ। শুধুমাত্র উইন্ডোজ সেটআপ দিলেই একটি কম্পিউটার সেটআপ দেওয়া হয়ে যায় না। তাই আপনি প্রাথমিকভাবে কিভাবে একটি কম্পিউটার বিল্ড করতে হয় সে বিষয়টি অবশ্যই শিখে নেবেন। যেন পরবর্তীতে কম্পিউটার পার্টসগুলো পরিবর্তন করার প্রয়োজন হলে দ্রুত যেন আপনি সেই সমস্যার সমাধান করতে পারেন।

৫. প্রোগ্রামিং ভাষা বেসিক চর্চা

বর্তমান টেকনোলজির দুনিয়াতে প্রোগ্রামিং ছাড়া কোন কিছুই নয়। যদি আপনি নতুন একটি প্রোগ্রামিং ভাষা শিখে ফেলতে পারেন, তাহলে আপনি অন্যদের থেকে এগিয়ে থাকবেন। এক্ষেত্রে অবশ্যই প্রোগ্রামিং ভাষা চর্চা করা গুরুত্বপূর্ণ। বিভিন্ন ধরনের প্রোগ্রামিং ভাষা রয়েছে। প্রাথমিকভাবে আপনি HTML এবং CSS কিভাবে ব্যবহার করতে হয়, সে বিষয়ে ধারণা নিতে পারেন। পরবর্তীতে আপনি পাইথন, জাভা আয়ত্ত করতে পারেন। যেগুলো আপনাকে পরবর্তী লেভেলে নিয়ে যাওয়ার জন্য অনেক বেশি সাহায্য করবে।

প্রযুক্তির দুনিয়ায় প্রতিযোগিতা দিন দিন বৃদ্ধি পাচ্ছে। বাংলাদেশ এখন অনেকটা এগিয়ে যাচ্ছে প্রযুক্তি ক্ষেত্রে কিন্তু বাংলাদেশে এখনো অনেক ধরনের ঘাটতি রয়েছে। যেগুলোর কারণে এগিয়ে নিতে হলে বাংলাদেশকে অবশ্যই কঠোর পরিশ্রম করে দক্ষতা অর্জন করতে হবে এবং সে সাথে কাজগুলোতে লেগে থাকতে হবে। কিন্তু বাংলাদেশি যারা তথ্যপ্রযুক্তির বিষয়ে আগ্রহী তাদের মধ্যে অনেকেই অর্ধেক পথে থেমে যায়। এজন্য আপনাকে অবশ্যই দীর্ঘ স্বপ্ন দেখতে হবে।

সম্মানিত পাঠক, আমরা আজকের এই লেখাতে তথ্যপ্রযুক্তি মন্ত্রণালয় চাকরি পাওয়ার জন্য যে সকল বিষয়গুলো উপযুক্ত এবং প্রয়োজনীয় রয়েছে সে বিষয়গুলো নিয়ে কিছুটা ধারণা আপনাদেরকে দিয়ে দিলাম। যেন আপনারা তথ্যপ্রযুক্তি ক্ষেত্রে নিজেদেরকে ক্যারিয়ার করার জন্য একটা এগিয়ে রাখতে পারেন।

আশা করতেছি এধরনের আর্টিকেলগুলো আপনারা নিয়মিত আমাদের ওয়েবসাইটে পড়তে পারবেন এবং আমাদের ওয়েবসাইটকে সাপোর্ট করার জন্য অবশ্যই কমেন্ট করে আমাদেরকে উৎসাহিত করবেন।

LEAVE A REPLY

Please enter your comment!
Please enter your name here

Subscribe Today

GET EXCLUSIVE FULL ACCESS TO PREMIUM CONTENT

SUPPORT NONPROFIT JOURNALISM

EXPERT ANALYSIS OF AND EMERGING TRENDS IN CHILD WELFARE AND JUVENILE JUSTICE

TOPICAL VIDEO WEBINARS

Get unlimited access to our EXCLUSIVE Content and our archive of subscriber stories.

Exclusive content

Latest article

More article